শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৩

শিক্ষা মূলক গল্প - খলিফা উমর রাযিআল্লাহু আনহু এর রাজনৈতিক দর্শন ।


মোমের আলোয় কাজ করছিলেন খলিফা উমর রাযিআল্লাহু আনহু এমন সময় সেখানে আসলেন তার দুই আত্মীয় খলিফা তাড়াতাড়ি ফুঁ দিয়ে মোমবাতিটি নিভিয়ে দিলেন অন্য আরেকটি মোমবাতি ধরিয়ে অতিথিদের বসতে দিয়ে তাদের খোজখবর নিলেন কৌতুহল চাপতে না পেরে একজন জানতে চাইলেন ,
আমাদের দেখে কেন আপনি আগের মোমবাতি নেভালেন আর নতুন একটি জ্বালালেন ? খলিফা জবাব দিলেন : আগের মোমবাতি ছিল রাষ্ট্রের সম্পত্তি থেকে কেনা তোমরা যেহেতু আমার আত্মীয় , তাই
তোমাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত অনেক আলাপ হবে আমার নিজের কাজে জনগণের আমানত
থেকে আমি কিছু খরচ করতে পারি না তাহলে আল্লাহর দরবারে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে তাই নিজের টাকায় কেনা মোমবাতিটি তোমাদের দেখে জ্বালালাম এই জবাবে আত্মীয়রা হতভম্ব হলেন তারা এসেছিলেন আত্মীয়তারখাতিরে বিশেষ কোন সুবিধা পাওয়া যায় কি না, সেই অনুরোধ করতে কিন্ত্ত সামান্য মোমবাতি নিয়ে খলিফার এত বিবেচনা ও সতর্কতা দেখে নিজেদের প্রস্তাব জানাতে তারা আর সাহসই করলেন না
আরেকবার খলিফার কাছে এক লোক সুবিধা চায় খলিফার সামনে রাখা কিছু কাঠে তখন আগুন জ্বলছিলখলিফা বললেন , ঠিক আছে তুমি এই আগুনের ভিতর তোমার হাত কিছু সময়ের জন্য রাখো ; তারপর তোমার অনুরোধ আমি বিবেচনা করবো লোকটি ভয় পেয়ে বললো , হে খলিফা ; এই আগুনে হাত ঢুকালে আমার হাত তো জ্বলে যাবে খলিফা বললেন , তুমি দুনিয়ার এই সামান্য আগুনকে ভয় পাচ্ছ অথচ আমাকে তুমি দোযখের অনন্ত আগুনের ভিতরে নিয়ে যেতে চাও ? তদবিরকারী নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে যায় এই যেখানে খলিফা উমর রাযিআল্লাহু আনহু এর রাজনৈতিক দর্শন সেখানে বর্তমানে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা কি করছে ? কোন সময়ে বাস করছি আমরা ?  এর শেষ কোথায় ?
 
হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।  

থ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট ।         

শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৩

রমযানে পরিবারের ঘরণী বা নারী সদস্যদের ভূমিকা মূল্যায়ন ।



রমযানে ঘরের প্রয়োজনীয় সম্মিলিত আয়োজনগুলোতে পরিবারগুলোর ঘরণী বা নারী সদস্যরাই সবচেয়ে বেশি শ্রম ও সময় দিয়ে থাকেনসংসারের কঠিন কাজগুলোর পাশাপাশি ইফতার, সাহরী, রাতের খাবারের প্রস্ত্ততিসহ পরিবারের রোযাদার সদস্যদের নানা চাহিদা মেটানোর পেছনে অকাতরে নিজেদের নিয়োজিত রাখেনআবার তারা রোযাও রাখেনফরয, ওয়াজিব, নফল ইবাদতে নিমগ্ন হওয়ার আবশ্যকতা ও আগ্রহ তাদের মাঝেও থাকেরোযাজনিত অবসাদ ও ক্লান্তিও তারা বোধ করেনকিন্তু পরিবারের পুরুষ-সদস্যরা অনেক সময়ই পরিবারের নারীদের সামর্থ ও সীমাবদ্ধতার এই দিকটির প্রতি চোখ রাখেন নাচাহিদা অনুযায়ী কিংবা মনমতো কিছু একটার ঘাটতি ঘটে গেলে তারা বিরক্তি বা ক্ষোভ লুকিয়ে রাখতে পারেন নাএটা রমযান ও রোযার সংযমনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল নয়কখনো কখনো এসব ক্ষেত্রে মানসিক জুলুমের ঘটনাও ঘটে যায়-যেটা রমযান-অ-রমযান কোনো অবস্থাতেই অনুমোদিত নয়

এজন্য এ বিষয়টির প্রতি পূর্ণ সতর্কতা ও সর্বোচ্চ বিবেচনা বজায় রাখা রোযাদার পরিবারের পুরুষ সদস্যদের দায়িত্বএ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিলে সমস্যার মাত্রা কমে যাবে বলে আশা করা যেতে পারেএক. রমযানে নারীদের ঘরোয়া আয়োজনগত সেবার মূল্যায়ন করাকারো পক্ষ থেকে উপকৃত হলে মানুষ যেমন তাকে কথায়-আচরণে খুশি করার চেষ্টা করে, রমযানে ঘরের নারীদের প্রতি তেমন সৌজন্য ও সদাচার প্রকাশ করা উচিতদুই. সাহরী-ইফতার ও অন্য যে কোনো আয়োজন এবং সেবায় কখনো কখনো মন ও রুচিমাফিক কিছু না পেলে সয়ে যাওয়া ও ধৈর্য্য ধরাএ কারণে ঘরণীর প্রতি কোনো রকম তিক্ত আচরণ করা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকা উচিততিন. নিজে রোযাদার হয়েও ঘরণী যে শ্রম ও সময় দিচ্ছেন, সেক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করার ব্যবস্থা নেওয়াএটা প্রত্যক্ষভাবে নিজে হাত লাগিয়েও করা যায়আবার সহযোগী কাজের মানুষের ব্যবস্থা করেও তার কষ্ট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যায়সময়, পরিস্থিতি ও সুবিধা অনুযায়ী সহযোগিতার ধরণটা ঠিক করে নেওয়া যেতে পারেচার. রমযানে শরয়ী প্রয়োজন ছাড়া নফল-মুস্তাহাব পর্যায়ের সেবার জন্য নারীদের ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে না দেওয়াযেমন পরিবারের কর্তার মনে হল, আজ কয়েকজনকে দাওয়াত করে ইফতারের বিশেষ মেহমানদারি করবেনএজন্য তিনি ঘরণীর সুবিধা-অসুবিধা, ক্লান্তি ও আয়োজনের শ্রম-কোনোদিকেই খেয়াল করলেন নাতার সঙ্গে আলোচনা করে আগেই তাকে মানসিকভাবে তৈরি করা সম্ভব হল নাতাকে শুধু জানিয়ে দিলেন, এতজন মেহমান আসছেন, এই এই আয়োজন করতে হবেমেহমানদারির এ পদ্ধতি ঠিক নয়রমযানে ইফতার করানো অনেক ছওয়াবের কাজএটা স্বতন্ত্র বিষয়ঘরণীর ওপর চাপিয়ে না দিয়ে আগ্রহ ও উৎসাহের সঙ্গে সেটা করতে উদ্বুদ্ধ করা এটিও স্বতন্ত্র বিষয়দুটির মাঝে সমন্বয় করেই এ ধরনের পুন্যের উপলক্ষগুলো সমাধা করতে হবেকিংবা অন্য উপায়ও তো খোলা আছেবাইরে থেকে ইফতার কিনে এনেও এটা করা যায়আবার ঘটনা যদি এমন হয় যে, দাওয়াত কিংবা বিশেষ মেহমানদারির কোনো ব্যাপার নেই, মেহমান নিজেই বাসায় চলে এসেছেন, সেক্ষেত্রে পারিবারিক দায়িত্বের মধ্যেইে সেটি পড়ে যায়তখন আয়োজন নিয়ে অস্থিরতারও কিছু নেইযা আছে এবং যতটুকু করা গেল, তাতেই ইফতার করানোর হক আদায় হয়ে যায়

ঘরণীর প্রতি, পরিবারের নারী সদস্যদের প্রতি সদাচার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের দাবিরমযানুল মুবারকে এ দাবির জোর ও প্রাসঙ্গিকতা অনেক বেশিসেজন্য রমযানে এ বিষয়টির প্রতি সবার বিশেষ মনোযোগ থাকা দরকার। 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।  

আলোচকঃ মাওলানা শরীফ মুহাম্মাদ

বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৩

সুখের রহস্য ।



সুখ আসলে কি? একটি মানুষের জীবনে কোন কোন বিষয় গুলো থাকলে তাকে সুখী বলা যায় বা সুখী মানুষে পরিণত হবার কি কোনও গোপন ফর্মুলা আছে? আছে! এবং সেই গোপন রহস্যটা লুকিয়ে আছে আপনার মানসিকতা ও জীবন যাপনের উপর আমরা সকলেই চাই সুখী হতে ।  সুখ কোনও বস্তু তো নয় যে বাজার থেকে কিনে আনলেন আর হয়ে গেলোসুখ একটা অনুভব, যা নিজের মাঝেই তৈরি হয়আর এই অনুভব আপনার মাঝে তখনই তৈরি হবে, যখন আপনি নিজের অন্তরকে তৈরি রাখবেন সুখের জন্যআর নিজেই খুঁজে নেবেন সুখের এক টুকরো আলো

সন্তুষ্ট থাকুন নিজের প্রাপ্যেঃ

আমাদের সমস্ত অ-সুখের সূত্রপাত হয় নিজের মাঝে এক রকমের অপূর্ণতা বা চারপাশের মানুষগুলোর সাথে তুলনা করতে গিয়েএটা নেই, সেটা নেই, এটা কেন পেলাম না, ওটা কেন হলো না, কেন আরও সুন্দর নই, কেন আরও বিত্ত নেই, কেন অমুকের আছে কিন্তু আমার নেই । ইত্যাদি হাজারো আফসোস দিয়ে পূর্ণ থাকে আমাদের অন্তরএত পূর্ণ যে সেখানে সুখের জন্য আর জায়গাই অবশিষ্ট থাকে নাকিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন যে কি আপনার কাছে কি আছে? নিজের যা আছে, সেটাকেই মন দিয়ে দেখুনআশ্চর্য হয়ে ল্য করবেন যে প্রাপ্তির লিস্টিটা নেহাত খাটো নয়অলীক বস্তুর আশায় সময় নষ্ট না করে নিজের যা আছে সেটা নিয়েই বেঁচে থাকতে শিখুন

বাদ দিন অহেতুক দুঃখ বিলাসঃ

হ্যাঁ, দুঃখ একটা বিলাসিতাইএবং তাও কেবল অলস মানুষদের জন্যকারণ একজন কর্মঠ মানুষ নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য পরিশ্রম করা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, দুঃখ নিয়ে বিলাস করার সময় তার অন্তত নেইএই যে ইন্টারনেটে বসে এই লেখা পড়ছেন, আপনি বাংলাদেশের সেই ৩০ শতাংশ মানুষদের একজন যারা কিনা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পায়তাহলে একবার ভেবে দেখুন তো, কত ভাগ্যবান আপনি!! নিজের দেশের অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষের চাইতে আপনি বেশি সৌভাগ্যশালীঠিক মত খেতে পারছেন, ঘুমাতে পারছেন, মাথার ওপরে ছাদ আছে পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষের সেই সুবিধাটুকুও নেইসুতরাং ভেবে দেখুন একবার, কি ভীষণ ভাগ্যবান আপনিজীবন থাকলে, কষ্ট থাকবেইদুঃখ- কষ্ট- ব্যথা না থাকলে আর জীবন কিসের? কিন্তু সেগুলো আছে বলেই সারাণ গোমড়া মুখে থাকতে হবে বা কপাল চাপড়ে কাঁদতে বসতে হবে, তার কোনও মানে নেইসেটা কেবল বোকা মানুষেরাই করেন

যে চলে যাচ্ছে, তাকে যেতে দিনঃ

জীবন থাকলে সম্পর্ক থাকবেআর সম্পর্ক থাকলে ভাঙ্গা-গড়াও থাকবেআমাদের জীবনের সবচাইতে বড় কষ্টের ব্যাপারটা হচ্ছে প্রিয় মানুষগুলো থেকে বিচ্ছেদকখনও মৃত্যু, কখনও সম্পর্কের ভাঙ্গন বিচ্ছেদের কারণ যাই হোক না কেন, প্রিয় মানুষের বিরহ আমাদের আচমকাই শুন্য করে ফেলেহয়তো প্রাণপণে চেষ্টা করি তাকে ঠেকাবারকিন্তু লাভ হয় কি? একদমই তো না! আর তাই, যে চলে যাচ্ছে তাকে যেতে দিনআটকে রাখার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেই, কেননা মৃত্যু হোক বা সম্পর্কের ভাঙ্গন কোনটার সাথেই যুদ্ধ করে জিততে পারবো না আমরাযে চলে যেতে চায় তাকে কি ধরে রাখা যায় । ধরে যখন রাখতেই পারবেন না, তখন কষ্ট আর না বাড়িয়ে যেতে দিন নিজেকে ব্যস্ত রাখুন কাজের মধ্যে, মানুষের সাথে মিশুন, শেয়ার করুন,  কিছু ক্ষত কখনও শুকায় না, কিন্তু সময় সবকিছু সহ্য করার ক্ষমতা দেয় মানুষকে, নাহলে মানুষের জীবন যাত্রা থেমে যেত ।  

আগামীকালের আশায় আর নয়, বাঁচুন আজকেইঃ

যা হয়ে গেছে, সেটাকে বদলাবার মতা কারো নেইআর এই কথাটা ভুলে যাবেন না কখনও যে জীবনের কোন কিছুই সংশোধন করার কোনও ব্যবস্থা নেইচাইলেই জীবনকে নতুন করে শুরু করা যায় না, কিংবা এক ঘণ্টা পিছিয়ে নিয়ে অতীতে ফিরে যাওয়া যায় নাআর তাই আমাদের অবশ্যই বর্তমানকে মেনে নিতেই হবে, আর বাঁচতে হবে বর্তমানেইঅনেকেই আছেন, আগামীকালের আশায় বেঁচে থাকেনআগামীকাল এটা করবো, সেটা হবে ইত্যাদি হাজারো পরিকল্পনা নিয়ে তাদের বাসকেউ কেউ হয়তো নিজেকে বর্তমানে কষ্ট দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য অর্থ সাশ্রয় করেনকিন্তু আগামীকাল কি আসবে? আপনি নিশ্চিত জানেন আগামীকাল সম্পর্কে? আমরা কেউই কিন্তু জানিনা ! তাহলে কেন জীবনকে অপো করিয়ে রাখা? জীবনটা বর্তমানেই, তাই উপভোগ করে নিন সবটুকু

বেশী প্রত্যাশা করবেন নাঃ

পৃথিবীতে সবাইকে সব কিছু পেতেই হবে, এমন কোনও কথা আছে? আপনি হয়তো বিশাল ধনী হতে চান, কিংবা হতে চান কোনও সেলিব্রেটির মতন সুন্দরনিজেকে আপনার হয়তো খুব কুৎসিত লাগে, কিংবা খুব গরীব মনে হয়- তাই না? আচ্ছা, একবার ভাবুন তো- কি করবেন আপনি বিশাল ধনী হয়ে, কিংবা খুব সুন্দর হয়ে? এই সমস্ত কিছু কি মৃত্যুর পর সাথে নিয়ে যেতে পারবেন? দেখুন আপনি তো আরও অনেকের চেয়ে বিত্তবান বা সুন্দর তাছাড়া খুব ধনী বা সুন্দর হওয়াটাই জীবনে বড় নয়, বড় হচ্ছে মানুষ হিসাবে আপনি কেমন একমাত্র সেটাইযারা আপনাকে সত্যি ভালবাসবে, তারা কিন্তু এই একটা গুণের জন্য ভালবাসবেআর যারা ভালবাসবে অর্থ কিংবা সৌন্দর্যের খাতিরে, তেমন মানুষের ভালোবাসা না পাওয়াই ভালো

বাড়িয়ে দিন সহযোগিতার হাতঃ

নিজের জন্য তো সবাই বাঁচেকখনও অন্যের জন্যও বেঁচে দেখুনবিশেষ করে নিজেকে যখন খুব দুঃখী আর একলা মনে হবে, তখনঅন্য কারো দিকে বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত, অন্য কারো কষ্ট কমাতে সাহায্য করুনযদি সফল হন, দেখবেন যে নিজের মাঝে ১০০ ওয়াটের সুখের আলো জ্বলে উঠেছেঅন্য কারো উপকারে আসতে পারছেন আপনি দেখবেন এর চাইতে বেশি আত্মতৃপ্তি আর কিছুতেই নেইএকবার করেই দেখুন না!


নিজের কাছে সৎ থাকুনঃ

সততা মানুষের বিবেকের বহিঃপ্রকাশ । সৎ থাকুন নিজের কাছে । আপনি কখনই সব মানুষকে খুশী করতে পারবেন না বা সবার চোখে ভালো হতে পারবেন না । তাই পরিষ্কার থাকুন নিজের বিবেকের কাছে । মানুষের দৃষ্টি ভঙ্গী আপেক্ষিক ও স্বার্থপরতায় ভরা তাই কে কি ভাবল তা না ভেবে প্রাধান্য দিন আপনার কি করা উচিৎ সে বিষয়ে ।  


আপনার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব ঠিকমত পালন করুনঃ

সবসময় নিজ কাজে মনযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন ও নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন ও কাজে কর্মে আত্নবিশাসী থাকুন কিন্তু কখনো ওভারস্মার্ট হবেন না  সুখ আপনার হাতে ধরা দেবে

অন্যদের প্রাপ্য সন্মান দিনঃ 

একজন মানুষ সে যে সামাজিক বা আর্থিক অবস্থানেই থাকুক না কেন একজন মানুষ হিসেবে তাকে সন্মান দিতে হবেএছাড়া বড়দের সাথে শ্রদ্ধার সাথে কথা না বললে ও ছোটদের সাথে স্নেহপূর্ণ আচরণ না করে থাকলে আপনি কোনভাবেই আদর্শ হিসাবে বিবেচিত হবেন নাযারা অন্যকে সম্মান করতে পারেনা তারা নিজেরাও কোন সম্মানের দাবিদার হতে পারেনা বা তাদের আত্ন সন্মান নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায় আর যে ব্যাক্তি সম্মান অর্জন করতে পারে না অন্যদের চোখে, সে কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তি বলে চিহ্নিত হতে পারেনাসন্মান দিবেন সবাইকে কিন্তু ভয় পাবেন একমাত্র সৃষ্টিকর্তাকে


আস্থা রাখুন সৃষ্টিকর্তার ওপরেঃ

কিচ্ছু যায় আসে না আপনি কোন ধর্মের অনুসারী, কিংবা আল্লাহ- ঈশ্বর- ভগবান ইত্যাদি কোন নামে নিজের সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করে থাকেন আপনিযায় আসে কেবল এটাতেই যে তাঁর ওপরে আপনার আস্থা আছে কিনাপৃথিবী কায়েম আছে এই বিশ্বাসের ভিত্তিতেইজীবনে যত ঝড় ঝাপটাই আসুক না কেন, আস্থা রাখুন নিজের সৃষ্টিকর্তার ওপরেদেখবেন নিজের মাঝে খুঁজে পেয়েছেন অন্য রকম একটা মুক্তিভিন্ন রকম একটা সুখ

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।  

থ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট ।