মুল পাতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুল পাতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০১৩

সাফল্য, সম্পদ ও ভালোবাসা ।

এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলেন উঠানে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন। তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না। তাই বললেন, ‘আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না,কিন্তু আপনারা মনে হচ্ছে ক্ষুধার্ত। আপনারা ভেতরে আসুন,আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি...‘
তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘ বাড়ির কর্তা কি আছেন?’ মহিলা বললেন,’না’। ‘তিনি বাইরে গেছেন।’
‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘
সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন তিনি বললেন,'যাও তাদের বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘
মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে আসতে বললেন।
কিন্তু তারা বললো,‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।'
মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ কিন্তু কেন? আবার কি সমস্যা?’
বৃদ্ধ লোকেদের মধ্যে একজন বললেন,’আমাদের মধ্যে একজনের নাম সম্পদ।‘আরেক জনের দিকে নির্দেশ করে বললেন,’তার নাম সাফল্য এবং আমি ভালবাসা।এখন আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আমাদের কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।'
মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন এবং বললেন,'অসাধারন!চল আমরা সম্পদকে ডাকি,তাহলে আমরা ধনী হয়ে যাব!'
তার স্ত্রী এতে সম্মতি দিলেন না,’নাহ,আমার মনে হয় আমাদের সাফল্যকেই ডাকা উচিত।'
তাদের মেয়ে ঘরের অন্য প্রান্তে বসে সব শুনছিলো। সে বলে উঠলো,'তোমাদের কি মনে হয় না আমাদের ভালবাসাকেই ডাকা উচিত? তাহলে আমাদের ঘর ভালবাসায় পূর্ন হয়ে উঠবে।'
লোকটি বললো,‘ঠিক আছে আমরা তাহলে আমাদের মেয়ের কথাই শুনবো, তুমি বাইরে যাও এবং ভালবাসাকেই আমাদের অতিথি হিসেবে ডেকে নিয়ে এসো।‘

মহিলাটি বাইরে গেলেন এবং বললেন’আপনাদের মধ্যে ভালবাসা কার নাম? অনুগ্রহ করে তিনি ভেতরে আসুন,আপনিই আমাদের অতিথি।' ভালবাসা নামের বৃদ্ধ উঠে দাড়ালেন এবং বাড়ির দিকে হাটতে শুরু করলেন,বাকী দুজনও উঠে দাড়ালেন এবং তাকে অনুসরন করতে লাগলেন। মহিলাটি এতে ভীষন অবাক হয়ে গেলেন এবং বললেন, 'আমিতো শুধু ভালবাসা নামের বৃদ্ধকে ভেতরে আসার আমন্ত্রন জানিয়েছি,আপনারা ¬কেন তার সাথে আসছেন?’
বৃদ্ধ লোকেরা বললো,'আপনি যদি সম্পদ আর সাফল্যকে আমন্ত্রন করতেন তবে আমাদের বাকী দুজন বাইরেই থাকতাম, কিন্তু আপনি যেহেতু ভালবাসাকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন,সে যেখানে যায়,আমরা দুইজনও সেখানেই যাই।
'যেখানেই ভালবাসা থাকে,সেখানেই সম্পদ ও সাফল্যও থাকে'।


ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।  

তথ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট ।  

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

খোশ আমদেদ মাহে রমজান - কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা ।

আসসালামু আলাইকুম, খোশ আমদেদ মাহে রমজান,মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন, ভালো থাকেন সে আশাই করি।  সেইসাথে মহান আল্লাহর  শুকরিয়া আদায় করি, যিনি আমাদেরকে আবারও আরেকটি পবিত্র রামাদনুল মোবারাকের সিয়াম পালন করার তাওফিক দান করেছেন।
রোজা ফারসি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে দিন। যেহেতু এই আমলটি দিনের শুরু থেকে শেষাংশ পর্যন্ত পালন করা হয় তাই একে রোজা বলা হয়।
আর আরবিতে এর নাম সাওম। যার শাব্দিক অর্থ কোনো কাজ থেকে বিরত থাকা। শরয়ী পরিভাষায় সুবেহ সাদিকের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকাকে সাওম বা রোজা বলা হয়। দ্বিতীয় হিজরীর শাবান মাসে আরবি বর্ষপঞ্জিকার নবম মাস রমজানে মুসলমানদের জন্য রোজা ফরজ হয়। আল্লাহর নবী (সা.) ওই সালের রমজান থেকে মোট ৯ বার রমজানের রোজা পালন করেন।
ইসলামের রোকনগুলোর মধ্যে রমজান মাসের রোজার স্থান হলো তৃতীয়- যা প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। এর অস্বীকারকারী কাফের এবং বিনা কারণে পরিত্যাগকারী ফাসেক।

রোজা ও ইফতারের সময়সূচী ২০১৩ এখানে থেকে সংগ্রহ করতে পারেনঃ রোজা ও ইফতারের সময়সূচী ২০১৩

রোজার নিয়ত:
রমজান মাসে রোজার নিয়ত বা অন্তরে ইচ্ছা বা আগ্রহকে দৃঢ় করে নেওয়া জরুরি। মুখে উচ্চারণ করে নিয়ত করা জরুরি নয়। যদি কেউ মুখে বা মনে মনে রোজার নিয়ত না করে বা রোজার রাখার জন্য মনস্থির না করে পুরো দিন পানাহার থেকে বিরত থাকে তবে তা রোজা বলে গণ্য হবে না।
আরবি ভাষায় রোজার নিয়ত- নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রামাদানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্কাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম। এর বাংলা অর্থ-(হে আল্লাহ) আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকাল রমজানের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাত।
অথবা নাওয়াইতু আন আছুমা লিল্লাহি তাআলা.. এটুকু বললও হবে। আবার বাংলায় আমি আল্লাহর জন্য রোজা রাখার নিয়ত করছি বললেও কোনো ক্ষতি নেই।

আরবি ভাষায় ইফতারের দোয়া- আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন। এর বাংলা অর্থ- (হে আল্লাহ) আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য ও তোমারই ওপর ভরসা করে রোজা রেখেছিলাম এবং হে রাহমানির রাহিম তোমারই অনুগ্রহ দ্বারা ইফতার করছি।

যেসব কারণে রোজা নষ্ট হয়:
১.    নাক বা কানে ওষুধ প্রবেশ করালে।
২.    ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করলে।
৩.    কুলি করার সময় গলার মধ্যে পানি চলে গেলে।
৪.    নারী স্পর্শ বা এ সংক্রান্ত কোনো কারণে বীর্য বের হলে।
৫.    খাদ্য বা খাদ্য হিসেবে গণ্য নয় এমন কোনো বস্তু গিলে ফেললে।
৬.    আগরবাতি ইচ্ছা করে গলা বা নাকের মধ্যে প্রবেশ করালে।
৭.    বিড়ি সিগারেট পান করলে।
৮.    ভুলে খেয়ে ফেলার পর ইচ্ছা করে পুনরায় খাবার খেলে।
৯.    সুবেহ সাদিকের পর খাবার খেলে।
১০. বুঝে হোক বা না বুঝে সূর্য ডোবার আগে ইফতার করলে।
১১.  ইচ্ছা করে স্ত্রী সহবাস করলে।

যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়:
১.    বিনা কারণে জিনিস চিবিয়ে বা লবণ কিংবা কোনো বস্তুর স্বাদ গ্রহণ করা। যেমন টুথপেস্ট, মাজন,
       কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত মাজা।
২.    গোসল ফরজ অবস্থায় সারাদিন গোসল না করে থাকা।
৩.    শরীরের কোথাও শিঙ্গা ব্যবহার করা বা রক্তদান করা।
৪.    পরনিন্দা করা।
৫.    ঝগড়া করা।
৬.    রোজাদার নারী ঠোঁটে রঙিন কোনো বস্তু লাগালে যা মুখের ভেতর চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৭.    রোজা অবস্থায় দাঁত উঠানো বা  দাঁতে ওষুধ ব্যবহার করা, তবে একান্ত প্রয়োজনে তা জায়েয।

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ হয় না কিংবা মাকরুহও হয় না:
১.    মিসওয়াক করলে।
২.    মাথায় বা শরীরে তেল লাগালে।
৩.    চোখে ওষুধ বা সুরমা লাগালে।
৪.    গরমের কারণে পিপাসায় গোসল করলে।
৫.    সুগন্ধি ব্যবহার করলে।
৬.    ইনজেকশন বা টিকা দিলে।
৭.    ভুলক্রমে পানাহার করলে
৮.    ইচ্ছা ছাড়াই ধুলাবালি বা মাছি ইত্যাদি প্রবেশ করলে।
৯.    কানে পানি প্রবেশ করলে
১০.  দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের হলে।

যেসব কারণে রোজা না রাখলেও ক্ষতি নেই:
১.    কোনো অসুখের কারণে রোযা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেললে অথবা অসুখ বৃদ্ধির ভয় হলে। তবে পরে
       তা কাযা করতে হবে।
২.    গর্ভবতী স্ত্রী লোকের সন্তান বা নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হলে রোজা ভঙ্গ করা বৈধ তবে কাযা করে
        দিতে হবে।
৩.    যেসব স্ত্রী লোক নিজের বা অপরের সন্তানকে দুধ পান করান রোজা রাখার ফলে যদি দুধ না আসে
        তবে রোজা না রাখার  অনুমতি আছে কিন্তু পরে কাযা আদায় করতে হবে।
৪.    শরিয়তসম্মত মুসাফির অবস্থায় রোযা না রাখার অনুমতি আছে। তবে রাখাই উত্তম।
৫.    কেউ হত্যার হুমকি দিলে রোযা ভঙ্গের অনুমতি আছে। পরে এর কাযা করতে হবে।
৬.    কোনো রোগীর ক্ষুধা বা পিপাসা এমন পর্যায়ে চলে গেল এবং কোনো দ্বীনদার মুসলিম চিকিৎসকের
         মতে রোজা ভঙ্গ না করলে তখন মৃত্যুর আশঙ্কা আছে। তবে রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। পরে তা কাযা
        করতে হবে।
৭.    হায়েজ-নেফাসগ্রস্ত (বিশেষ সময়ে) নারীদের জন্য রোজা রাখা জায়েজ নয়। পরবর্তীতে কাযা করতে
        হবে।

ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।  

তথ্যসুত্রঃ ইন্টারনেট ।  

সেহেরী ও ইফতারের আরেকটি সময়সূচী ২০১৩ ।

আসসালামু আলাইকুম, খোশ আমদেদ মাহে রমজান, মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন, ভালো থাকেন সে আশাই করি।  আবারও মহান আল্লাহর  শুকরিয়া আদায় করি, যিনি আমাদেরকে আরেকটি পবিত্র রামাদনুল মোবারাকের সিয়াম পালন করার তাওফিক দান করেছেন।
আগেও আপনাদের একটি সেহেরী ও ইফতারের সময়সূচী দিয়েছিলাম । আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব হিজরী ১৪৩৪, ইংরেজী ২০১৩  সালের নতুন আরেকটি সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী।





ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।

মঙ্গলবার, ২ জুলাই, ২০১৩

রেশমা উদ্ধার বিতর্কে বাংলাদেশের সংসদ উত্তপ্ত ।

ধসে পড়া ভবন রানা প্লাজার নিচে থেকে ১৭ দিন পর রেশমা বেগমকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনাকে সাজানো নাটক বলে বর্ণনা করেছে বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এ নিয়ে এক বিতর্কে বিএনপির এক সংসদ সদস্য ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন।
রানা প্লাজা ধসে পড়ার ১৭ দিন পর এর নিচে থেকে গার্মেন্টস কর্মী রেশমা বেগমকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা সারা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করে। কিন্তু ঢাকার একটি দৈনিক ‘আমার দেশ’ এবং লন্ডনের ‘ডেইলি মিরর’ এ প্রকাশিত খবরে দাবি করা হচ্ছে, এটি ছিল সাজানো নাটক।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘ডেইলি মিরর’ এ প্রকাশিত খবরকে উদ্ধৃত করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান। কিন্তু সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, রেশমা-উদ্ধারের ঘটনাকে যারা সাজানো বলছেন - তারা পরিষ্কার মিথ্যাচার করছেন।
ইতোমধ্যে ডেইলি মিরর সহ অন্যান্য সংবাদপত্রে রেশমা বেগমকে উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানায় আন্তবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর বা আইএসপিআর। কিন্তু মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাড়িয়ে বিরোধীদল বিএনপির সংসদ সদস্য শহিদউদ্দিন চৌধুরি এ্যানী বলেছেন, সরকার তাদের নেতিবাচক কর্মকান্ড থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাতে রেশমা বেগমকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা সাজিয়েছিল।
তিনি সংসদে বলছিলেন, ‘রেশমা বেগমকে উদ্ধারের ঘটনা সাজানো নাটক। এটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম দ্য সানডে মিরর এবং ডেইলী মেইল-এ প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরণের ঘটনা দেশের এবং সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করেছে। কারা এই ঘটনা সাজিয়েছে, তা বের করতে যেনো অবিলম্বে একটি বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।’
সরকারের কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরি এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সানডে মিরর এর প্রতিবেদনটিতে রেশমার একজন সহকর্মীকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। কিন্তু সেই সমকর্মীর নাম দেওয়া হয়নি। এছাড়াও প্রতিবেদক রেশমার ঐ সহকর্মীর সাথে কথা না বলে রেকর্ড শুনে বক্তব্য উদ্ধৃত করার কথা বলেছেন। ফলে প্রতিবেদনে তথ্য প্রমাণ নেই বলে মন্ত্রী মনে করেন।
একই সাথে বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করায় বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার লক্ষ্য নিয়ে এসব মিথ্যাচার করা হচ্ছে।’
ঘটনা যাকে কেন্দ্র করে সেই রেশমা বেগমে বক্তব্য তাৎক্ষনিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে। সেখান থেকে মোবাইল টেলিফোনে তার এক ভাই মো: জাহিদুল বলেছেন, পত্রিকায় কি প্রকাশ হয়েছে,তা তারা দেখেন নি। কিন্তু লোকমুখে শুনে তার মনে হয়েছে, তার বোনকে উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে অসত্য কথা ছড়ানো হচ্ছে।
তিনি বলছিলেন, ‘ভবনটি ধ্বসে পড়ার খবর পেয়েই মাকে নিয়ে আমি সেখানে গিয়েছিলাম এবং ১৭ দিন অপেক্ষার পর বিকেলে দেখি রেশমা নামের একজনকে উদ্ধার করা হলো। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমারই বোন রেশমা।’
সেনাবাহিনীর সাথে দমকল বাহিনীও উদ্ধারকাজে পুরো সময় ছিল। দমকল বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমদ খান বলেছেন, তাদের তাদের শ্রম ও কাজকে অসম্মান করার টার্গেট থেকে এসব মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

তথ্য সুত্রঃ অনলাইন নিউজ । 

রেশমা উদ্ধার ঘটনাটি সাজানো নাটক ।



সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা আলোচিত গার্মেন্ট কর্মী রেশমার কাহিনীটি একটি ‘ভাঁওতাবাজি’ ছিল বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের বহুল প্রচারিত ট্যাবলয়েড দৈনিক ‘মিরর’। রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে প্রায় ১২শ’ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। তার পরপর মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের ওপর চালানো হয়েছিল গণহত্যা। তারও আগে ছিল জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় পরবর্তী দমন-নির্যাতন ও নির্বিচার হত্যার অভিযান। এজন্যই বলা হয়েছে, রেশমাকেন্দ্রিক নাটকের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ করে গণহত্যাকে আড়াল করা। গণহত্যাসহ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আড়াল করার কৌশল হিসেবেই রেশমাকে হঠাত্ ‘উদ্ধার’ ও হাজির করা হয়েছিল।  দৈনিকটিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘রানা প্লাজা ধসের প্রথম দিনই রেশমা বের হয়ে এসেছিলেন।’
যুবলীগ নেতা সোহেল রানার মালিকানাধীন রানা প্লাজা ধসের ১৭ দিন পর ১০ মে রেশমাকে উদ্ধার করা হয়। তখন এটাকে অলৌকিক ঘটনা বলেও প্রচার করা হয়।
ঢাকা থেকে সাইমন রাইটের পাঠানো এবং ‘বাংলাদেশ ক্লথস ফ্যাক্টরি ডিজাস্টার ইজ ব্র্যান্ডেড এ হোক্স বাই কলিগ অব উইম্যান রেসকিউড’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রেশমার সহকর্মী জানান, ভবন ধসের প্রথম দিনই বের হয়ে আসেন তিনি। অনুসন্ধানে মিরর জানতে পারে রেশমার ওই সহকর্মীও প্রথম দিনই তার (রেশমার) সঙ্গে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।তবে রেশমার ওই সহকর্মীর নাম প্রকাশ না করে মিরর জানায় যে, তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রেশমাকে উদ্ধারের কথা যেদিন প্রচার করা হয় সেদিন বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ উল্লাস করেছিল। 
গত ২৪ এপ্রিল সকালে অবৈধভাবে নির্মিত রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এতে অন্তত ১,১২৯ জন লোক মারা যায়। রেশমার সহকর্মী ওই ভবনের তৃতীয় তলায় কাজ করতেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একত্রেই বের হয়ে আসি। আমরা উভয়ই ধ্বংসস্তূপ থেকে হেঁটে বের হই।’তিনি বলেন, ‘আমরা হাসপাতালে দু’দিন ছিলাম। তারপর আর তার হদিস পাইনি। এর ১৭ দিন পর আমি তাকে টিভিতে দেখতে পাই। তারা বলেছিল এটা ছিল অলৌকিক। কিন্তু এটা ছিল বানোয়াট।’
এ ব্যাপারে অনুসন্ধানের জন্য প্রায় সাড়ে ১০ লাখ প্রচার সংখ্যার মিরর পত্রিকার প্রতিনিধি বাংলাদেশ সফর করেন। সেখানে সরকার বিরোধী কর্মীরা বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর অপপ্রচার থেকে বাঁচতে এটা ছিল সরকারের একটি সাজানো নাটক।প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনার প্রমাণ হিসেবে মিরর প্রতিনিধিকে রেকর্ড শোনানো হয়। কিন্তু প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় তার নাম প্রকাশ করা হলো না।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রেশমাকে নিয়ে ভাঁওতাবাজির খবর প্রথম প্রকাশ করে বাংলাদেশের সরকার বিরোধী দৈনিক ‘আমার দেশ’। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকরা রেশমার বাড়িওয়ালাকে জানান যে, উদ্ধার হওয়ার পর রেশমাকে এনাম মেডিকেলে চিকিত্সাও দেয়া হয়। রানা প্লাজার আশপাশের বাসিন্দারা জানান, রেশমাকে উদ্ধারের আগে তাদের রহস্যজনকভাবে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় এবং তাকে উদ্ধার করার পর আবার কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তাদের বাড়িতে ফিরতে দেয়া হয়।
রেশমাকে উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে সেখানকার ভিডিও ধারণ নিষিদ্ধ করা হয়।
রেশমাকে উদ্ধারের সময় তার চেহারা এবং পোশাক নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। রেশমা যে ১৭ দিন ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছিলেন তার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ‘তিনি বলেছিলেন যে ইট ও ধ্বংসস্তূপের ভেতর দিয়ে হাতের ওপর ভর করে লাশের ওপর থেকে তিনি পানি সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু তার হাত ও হাতের নখ সেই সাক্ষ্য বহন করে না।’
‘
তাকে যখন বের করে আনা হয় তখন তার চোখ ছিল একেবারেই খোলা এবং উজ্জ্বল আলোতেও তার চোখে কোনো সমস্যা হচ্ছিল না। তার পোশাকে কোনো ফাঁড়া ছিল না এবং তা ছিল পরিষ্কার।’
‘
লোকজন এ নিয়ে সন্দিহান হলেও সরকার এটাকে অলৌকিক বলে হৈচৈ করতে থাকে। সবাইকে বোকা বানানো হয়।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে রেশমা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, সেখানে আমি ছিলাম, আপনারা নন। তাই আপনারা বুঝতে পারবেন না। এরপর সরকারের কর্মকর্তারা আর প্রশ্ন করার সুযোগ দেননি। এটাও জানা গেছে যে, উদ্ধারের পর রেশমা আমেরিকায় যেতে রাজি না হওয়ায় তাকে ঢাকার একটি হোটেলে চাকরি দেয়া হয়েছে।’
এক সপ্তাহ আগে নিরক্ষর রেশমাকে সরকার আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয় এবং জানানো হয় যে, তাকে ঢাকার পাঁচতারা একটি হোটেলের অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি সেখানে মাসে বেতন ভাতা পাবেন ৬০ হাজার টাকা। এটা বাংলাদেশের গড় বেতনের ১০ গুণ। তাকে আমেরিকায় যাওয়ারও অফার দেয়া হয়েছিল।
শুক্রবার এ ব্যাপারে কথা বলতে মিররের সাংবাদিক রেশমার বাড়ি দিনাজপুরের রানীগঞ্জ যান। রেশমার মা জোবেদা এটাকে ভাঁওতাবাজি বলে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, সবাই এটাকে অলৌকিক বলে মনে করেন। তবে তিনি বলেন যে, ‘রেশমা নতুন চাকরি পাওয়ার পর আমাদের হাতে এখন অনেক টাকা। আমাদের এখন ভবিষ্যত্ উজ্জ্বল।’ জোবেদা বলেন, হাসপাতালে গিয়ে তিনি দেখতে পান রেশমার হাতে সামান্য দাগ ছাড়া সে বেশ ভালোই আছে। সেনাবাহিনী তাকে দেখাশোনা করছে। রেশমা তাকে জানান যে, তিনি সুখে আছেন।
এই ভাঁওতাবাজির ব্যাপারে সেনাবাহিনীর বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলে বাহিনীর মুখপাত্র নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের কোনো মন্তব্য নেই।’

তথ্য সুত্রঃ অনলাইন নিউজ ।

নামাজ এবং রোজার চিরস্থায়ী সময়সূচী ।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন । আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নামাজ এবং রোজার চিরস্থায়ী সময়সূচী। এটা দিয়ে আপনি স্থায়ী ভাবে নামাজ এবং সেহরির ও ইফতারির সময় জানতে পারবেন । 

আশা করি নামাজ এবং রোজার চিরস্থায়ী সময়সূচী আপনাদের কাজে লাগবে । আর আপনাদের কাজে লাগলেই আমাদের উদ্যোগ সার্থক হবে । 




ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।


সেহেরী ও ইফতারের সময়সূচী ২০১৩ ।

আসসালামু আলাইকুম, মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন, ভালো থাকেন সেই কামনাই করি।  প্রথমেই মহান আল্লাহর  শুকরিয়া আদায় করি, যিনি আবারও আমাদেরকে পবিত্র রামাদনুল মোবারাকের সিয়াম পালন করার তাওফিক দান করেছেন।
 আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব হিজরী ১৪৩৪, ইংরেজী ২০১৩  সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী।



                                                                  


ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।

শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৩

আমি ধর্ষিত মেয়েটির অধিকারের কথা বলতে যাই, তাই আমি বিকৃত রুচির মানুষ ।

ময়না গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি গার্মেন্টসে কাজ করে। টঙ্গীর একটি গ্রামে ময়নার বাড়ি। প্রতিদিন ভোরবেলা সে বাড়ি থেকে বের হয় এবং কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে তার রাত হয়ে যায়। একদিন গার্মেন্টস থেকে বের হয়ে দেখে আকাশে খুব কালো মেঘ করেছে এবং একটু পরেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। এ অবস্থায় খুব কষ্টে সে বাড়ির দিকে রওনা করে। গ্রামে ঢোকার ঠিক আগে বড় মাঠটি পার হওয়ার সময় ২টি ছেলে তাকে জোর করে ধরে পাশে পাট ক্ষেতে নিয়ে যায় এবং তাকে ধর্ষণ করে।
সারারাত অজ্ঞান অবস্থায় ময়না ক্ষেতের মধ্যেই ছিল। সকাল বেলা ওদের গ্রামের কৃষকরা ময়নাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরকম ঘটনা আমাদের চারপাশে অহরহ ঘটছে কিন্তু কেন এসব ঘটছে বা এর প্রতিকার কি ? কিভাবে সামাজিক সচেতনতা, মূল্যবোধ ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজকে এই কলঙ্কের বাহুপাশ থেকে মুক্ত করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে । এমন ঘটনা আজকে অন্য কারো সাথে ঘটছে বলে যদি আমরা চুপ করে বসে থাকি তাহলে একদিন আমরা আমাদের নিজ পরিবারের নিরাপত্তা কি দিতে পারব ? আজ কি আমরা নিরাপদ ?
ধর্ষণ আজ আমাদের সমাজের চোখে একটি ঘৃণ্য ঘটনা । আমাদের চারপাশে এটি ঘটছে অহরহ । যে ধর্ষক পুরুষটি এ ঘটনার জন্য দায়ী সে সমাজের বুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে স্বাভাবিকভাবে আর এ ঘটনার দায় ধর্ষিতা মেয়েটিকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে একক ভাবে । কেউ এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে না । কেউ ধর্ষিতা মেয়েটির অধিকারের কথা বলছে না । তাকে অন্যের কৃতকর্মের বোঝা মাথায় নিয়ে বেছে নিতে হচ্ছে এক ঘৃণিত জীবন । আমি সেই ধর্ষিত মেয়েটির অধিকারের কথা বলতে যাই, তাই আমি বিকৃত রুচির মানুষ ।


ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।


আমাদের ফেসবুক লিঙ্ক  আমি ধর্ষিত মেয়েটির অধিকারের কথা বলতে যাই, তাই আমি বিকৃত রুচির মানুষ ।

তামিম ও আয়েশার বিয়ে ।




সব মহলেই অভিনেতা, ক্রিকেটারদের মতো তারকাদের বিয়ে নিয়ে বাংলাদেশে বরাবরই ভীষণ আগ্রহ থাকে। কিন্তু তামিম ইকবালের বিয়ে নিয়ে তুমুল হইচই যেন আগের সব রেকর্ডই ছাপিয়ে গেছে। আর তার একটা বড় কারণ, এমন বিপুল আড়ম্বর আর জাঁকজমকের বিয়ে বাংলাদেশে প্রায় হাতে গোণা। চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা আর বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল বহুল প্রতীক্ষিত তামিম- আয়েশার বিয়ে। চট্টগ্রাম ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ড কমপ্লেক্স। শনিবার। ঘড়ির কাঁটা তখন রাত ৮টার ঘরে। একে একে আসতে থাকলেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।অতিথিদের আগমনে মুখর পুরো টেনিস কমপ্লেক্স।
রাত ৮টা ৩৮মিনিটে বিয়ের আসরে হাজির হন আয়েশা সিদ্দিকী। তামিমের এ নববধুর পরনে ছিল হালকা গোলাপী রঙের লেহেঙ্গা। আয়েশা আগ্রাবাদের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন ও মমতাজ বেগমের কনিষ্ঠ কন্যা। প্রতীক্ষারত নববধুকে সঙ্গ দিতে রাত ১০টা ২০মিনিটের দিকে আসরে হাজির হন তামিম ইকবাল। সোনালী রঙের পাগড়ী আর কালো শেরওয়ানী পরেছিলেন তামিম। তামিমের সঙ্গে বন্ধু-বান্ধবরা ছাড়াও ৫০ জনের ব্যান্ড দল ছিল। বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। ঢাকা থেকেও যান অনেকে।

তামিম ইকবালের মা নুসরাত ইকবাল বলেন, ‘মা হিসেবে আমি খুবই খুশী। তামিমের বিয়েতে ভাই-বোন,  আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব সবার মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। আমি এ নবদম্পতির জন্য সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী। তারা সুখী হলে আমি সুখী।'
বিয়ের পর কাজীর দেউরির বিখ্যাত খান পরিবারের বসতি গড়তে যাচ্ছেন এ নবদম্পতি। তবে এখনো হানিমুনের কোনো পরিকল্পনা হয়নি বলে জানালেন মা নুসরাত ইকবাল।
সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছুদিনের মধ্যে জাতীয় দলের ক্রিকেট ক্যাম্প ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন তামিম। এ ব্যস্ততা শেষ হলে হানিমুনের পরিকল্পনা করা হবে।'
গত কয়েকদিন ধরে নগরবাসীর দৃষ্টি হাই-প্রোফাইল এ বিয়ের দিকে। দু'পরিবারের পক্ষ থেকে তাই চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনদের জানানো হয়েছিল আমন্ত্রণ। অতিথির সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম মনজুর আলম, চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার
সোমনাথ ঘোষ, সাবেক ক্রিকেটার ও জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটির সদস্য মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, হাবিবুল বাশার সুমন, সাবেক ক্রিকেটার আতহার আলী খানএবং তামিমের চট্টগ্রাম সতীর্থ ক্রিকেটারা। 
পাইলট তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আশা করি বিয়ের পর তামিম আরো বেশি করে চার-ছক্কা মারবে! ওদের বিবাহিত-জীবনের সাফল্য কামনা করছি।” হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, “তামিম আকরাম ভাইয়ের ভাতিজা। তবে তার চেয়েও বড় কথা সে দেশের গর্ব, সবার প্রিয় তারকা। তার খেলা আমার খুব ভালো লাগে। বিয়ের আয়োজন দেখে আমি মুগ্ধ।”


ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।

তথ্য সুত্রঃ ইন্টারনেট ।

চুদুরবুদুর ডটকম ।


চুদুরবুদুর ডটকমে সংসদের ওয়েবপেজ । 
 
কয়েকদিন আগে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় জাতীয় সংসদের ওয়েব এ্যাড্রেস হ্যাকড হয়েছে। জাতীয় সংসদের ওয়েব ঠিকানা www.parliament.gov.bd ।তবে গত কয়েকদিন থেকেই একই সঙ্গে চুদুরবুদুরডটকম www.chudurbudur.com/ লিখলেও সংসদেরই ওয়েবসাইটটি দেখা যাচ্ছিল! সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক এবং কয়েকটি আইটি ব্লগের মাধ্যমে প্রথমে বিষয়টি জানাজানি হয়। তবে, আইটি এক্সপার্টরা জানিয়েছেন ভিন্নমত। তাদের মতে, সংসদের মূল ওয়েবসাইট থেকে সোর্স ফাইলগুলো কপি করে চুদুরবুদুর ডটকমের ডোমেইনে পেস্ট করা হয়েছে। যে কারণে সংসদের মূল সাইটের মতোই দেখা যাচ্ছে এ সাইটটি। প্রযুক্তি কারিগরি ভাষায়  একে বলা হয়ে থাকে আইফ্রেম।
ডোমেইন নিবন্ধন বিষয়ক তথ্যভাণ্ডার হুয়িজডটনেটের তথ্য অনুযায়ী, ডোমেইন নিবন্ধনদাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান গো ড্যাডিতে ডোমেইনটি নিবন্ধন করা হয় গত ১৩ জুন। তবে নিবন্ধনকারী তার পরিচয় গোপন রেখেছেন।
উল্লেখ্য, সংসদে চলতি বাজেট অধিবেশনে গত ৯ জুন বিএনপির এমপি রেহানা আক্তার জাতীয় সংসদে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় বলেছিলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়া কোনো চুদুরবুদুর চইলত ন।’ তারপর থেকে এ বাক্যটি নিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে ব্যাপক বিতর্ক চলছে।কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা এ নিয়ে দুটি প্রতিবেদন ছাপে। পত্রিকাটি লেখে-চুদুরবুদুর কোনো গালি নয়। এটি আঞ্চলিক শব্দ। এর অর্থ টালবাহানা, বাড়াবাড়ি, গড়িমসি।এ শব্দটি নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা সংসদ উত্তপ্ত করে তোলেন। তারা রেহানা আক্তার রানুর তীব্র সমালোচনায় মুখর হন। একজন বলেন, এই শব্দটি বিশেষ পেশার মেয়েরা ব্যবহার করে।
কিন্তু সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সংসদের কার্যপ্রবাহ থেকে ‘চুদুরবুদুর’ বাদ (এক্সপাঞ্জ) করা হবে না। চুদুরবুদুর নিয়ে আর যাতে রসিকতা বা সমালোচনার ঝড় উঠে তাই, বিটিআরসি  কর্তৃক চুদুরবুদুরডটকম’ নামের ওয়েবপেজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।

তথ্য সুত্রঃ ইন্টারনেট ।

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৩

মহামতি অ্যালেক্সান্ডারের শেষ ইচ্ছা ও একটি অমূল্য শিক্ষা ।



মহামতি অ্যালেক্সান্ডার
কিংবদন্তি সম্রাট অ্যালেক্সান্ডার তার মৃত্যুশয্যায় সামরিক বাহীনির সকল জেনারেলদের কে ডেকে তার তিনটি শেষ ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করে বলেছিলেন তোমরা আমার এই ইচ্ছা গুলোর কথা লিখে রাখবে আর আমার মৃত্যুর পর তা যথাযথ ভাবে পালন করবে ।

তার শেষ তিনটি ইচ্ছা ছিলঃ

১. রাজ্যের সেরা চিকিৎসকেরা আমার কফিন বহন করবে।

২. আমার সকল ধন-সম্পদ (নগদ অর্থ, সোনা-রূপা, রত্নালঙ্কার) আমার কফিনের সাথে কবরস্থানে নিয়ে যাবে। আমাকে কবরস্ত করার উদ্দেশ্যে মৃত্যু শোভাযাত্রায় অংশ-কারীদেরকে খোলা ময়দানে এসব সম্পদরাজি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, খুলে-মেলে দেখাবে!

৩. আমার হাত দুটি উন্মুক্ত অবস্থায় কফিনের বাহিরে বের করে রাখবে, যাতে সকলেই  
আমার দুটি শূন্য হাত দেখতে পায়!
 
অ্যালেক্সান্ডারের অতীত চিন্তা, কর্ম, লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাথে বিপরীত ধরণের ইচ্ছার কথা শুনে একজন জেনারেল অতি কৌতূহলে প্রশ্ন করলেন, এই আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্তের ব্যাপারটি কি আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করবেন?
মহামতি অ্যালেক্সান্ডার তার উত্তরে বললেন,

১. সেরা চিকিৎসকেরা লাশের কফিন বহন করার অর্থ হল, “মানুষ বুঝতে পারুক মৃত্যুই মানুষের অমোঘ নিয়তি । দুনিয়ার কোন শক্তি, কোন চিকিৎসা ব্যবস্থাই মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে পারে না” ।

২. অর্জিত সম্পদ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, খুলে-মেলে দেখানোর অর্থ হল, “সবাই দেখুক, আমি পুরো দুনিয়া জুড়ে অভিযান চালিয়ে যে বিপুল সম্পদ আরোহণ করেছিলাম মৃত্যুকালে সে সম্পদের কিছুই আমার সাথে যায়নি, সমুদয় সম্পদরাজি পৃথিবীতেই থেকে গেছে”!

৩. কফিনের বাইরে দুটি শূন্য হাত প্রদর্শনের অর্থ হল মানুষ দেখুক, “শূন্য হাতে এই পৃথিবীতে আমার আগমন হয়েছিল এবং শূন্য হাতেই বিদায় নিচ্ছি, বিপুল সম্পদরাজি আমার করতলগত ছিল কিন্তু এইসব আপাত মূল্যবান উপকরণের কোনটাই সম্পদ নয়।দুনিয়ার প্রকৃত সম্পদ হল ‘সময়’! কারন সময় সীমিত! চেষ্টার মাধ্যমে সম্পদ বাড়ানো যায় কিন্তু কোন ভাবেই সময় বাড়ানো যায় না ! কারো জন্য যদি কিছুটা সময় ব্যয় করা হয়, তাহলে জীবনের একটি অংশকে তার জন্য ছেড়ে দেয়া হয়, যেটা আর কোনদিন ফিরে পাওয়া যায় না ! সময় হল সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং এটাই আমাদের জীবন।

ধন্যবাদান্তে, 

হাসান ইমতি

অকপট  
সত্য যেথা দ্বিধাশূন্য, মুক্ত যেথা বাক ।

তথ্য সুত্রঃ ইন্টারনেট ।